শুরুতেই কিছু কথাঃ
বর্তমানে আমাদের দেশের অবস্থা অনুযায়ী বেকারদের অবস্থা খুবই খারাপ, চাকরী খুজতে খুজতে জুতা শেষ অথচ চাকরীইতো হয়নাই!!। তাদের জন্য আশার খবর নিয়ে এলো অনলাইন। অবশ্য অনেক আগে থেকেই এই ক্ষেত্রটি চালু আছে।কিন্তু আমরা এর সাথে বেশিদিন আগে পরিচিত হইনাই। তো এখানে কাজ করা হয় মুলত নিজের সময় অনুযায়ী। পার্টটাইমও করা যায় আবার ফুলটাইমও করা যায়। যত সময় তত টাকা
কাজের কথাঃ
যেহেতু অনলাইন তাই এখানে সাইটের অভাব না। কেউ আছে উপকারের ধান্দায় আর কেউ আছে ক্ষতির ধান্দায়।কোনো সাইটে কাজ করতে হবে মার্কেটিং এজেন্ট হিসেবে, আবার কোনো সাইটে কাজ করবেন নিজের ইচ্ছেমতো। যারা মার্কেটিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন তাদেরকে বলা হয় এফিলিয়েট মার্কেটার। যারা নিজেদের ইচ্ছে মতো কাজ করেন তাদের বলা হয় ফ্রিল্যান্সার।
এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য বর্তমানে "এমাজন" সবচেয়ে জনপ্রিয়। তবে এখানে কাজ করার জন্য আপনার একটি ওয়েব সাইট থাকা লাগবে। তা না হলে মার্কেটিং এর পন্যের বিজ্ঞাপন কোথায় দিবেন!!!
আর কিছু সাইট আছে যেগুলো বর্তমান প্রোফেশনাল ফ্রিল্যান্সারদের কাছে বেশি গুরুত্বপুর্ণ এবং তারা এই সব সাইট ছাড়া অন্যকোনো সাইটে কাজ করেন না। তো চলুন জেনে নেই সেই সব প্রোফেশনাল সাইট গুলোর নাম;
১.আপওয়ার্ক ( upwork)
২.ট্রুল্যান্সার (Trulancer)
৩.ফ্রিল্যান্সার (Freelancer)
আরো কিছু সাইট আছে এই মুহুর্তে সেগুলোর নাম মনে নেই।
আরো কিছু সাইট আছে যেই সব সাইটে আপনি সাইন আপ করে আপনার শখটাকেও ব্যাবহার করে নিতে পারেন ব্যাবসায় হিসেবে। এই ক্ষেত্রে জনপ্রিয় সাইট গুলো হলো;
১. ফটো মগ ( Photo Mug)
২.ফটো বাকেট ( Photo bucket)
৩.ফটো গ্যালারি (photo gallary)
সহ আরো কিছু সাইট।
শেষে কিছু কথাঃ
অনলাইনে কাজ করতে হলে সর্ব প্রথম আপনাকে প্রচুর পরিমাণে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। প্রথম প্রথম কাজ পেতে দেরি হতে পারে, তাই বলে হাল ছেড়ে দিলে চলবেনা। আর হাতে কিছু টাকা থাকলে অবশ্যই কোনো আইটি এক্সপার্টের কাছ কিছু কাজ শিখে নিবেন যারা অনলাইনের এইসব কাজগুলো শেখায়।